ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরানের প্রতিশোধমূলক পাল্টা আঘাতের পর গোটা মধ্যপ্রাচ্যে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশ রক্ষায় প্রায় ৭০ লাখ ইরানি নাগরিক দেশটির সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ কথা বলেছেন। বাঘের গালিবাফ বলেন, একটি ‘শক্তিশালী জাতীয় প্রচারণা’ লাখো ইরানিকে দেশ রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছে ‘খুব কম’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক অবশিষ্ট আছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষমতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।
ট্রাম্প আমেরিকানদের আরও বলেন, তিনি আশা করছেন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ চলবে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন যে, এ সংঘাত শেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিক ইরানে বিমান হামলা শুরু করার পর থেকে এ অঞ্চলটি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। ওই হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ এ পর্যন্ত এক হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইরান তাদের ভূমিতে হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।
আরটিভি/এমআই




